সদর দক্ষিণে ফুটপাতে ঘুমন্ত নারীকে ধর্ষণ, অভিযুক্ত ল্যাংড়া খোকন আটক
কুমিল্লার সদর দক্ষিণ উপজেলার বিজয়পুর বাজারে ফুটপাতে ঘুমিয়ে থাকা এক নারীকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনার একটি সিসিটিভি ফুটেজ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর জেলাজুড়ে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার (৩০ জুন) ভোররাতে কুমিল্লা-নোয়াখালী আঞ্চলিক মহাসড়কের সদর দক্ষিণ উপজেলার বিজয়পুর বাজার এলাকায় একটি কনফেকশনারি দোকানের সামনের ফুটপাতে এ ঘটনা ঘটে। তবে শনিবার (৪ জুলাই) সিসিটিভি ফুটেজ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হলে বিষয়টি প্রকাশ্যে আসে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায়, ভোর ৪টা ৮ মিনিটের দিকে ফুটপাতে ঘুমিয়ে থাকা এক মাঝবয়সী ব্যক্তি নারীর কাছে সাদা শার্ট ও লুঙ্গি পরিহিত এক ব্যক্তি এসে তাকে ধর্ষণ করে। ঘটনার পর অভিযুক্ত ব্যক্তি দ্রুত ওই স্থান ত্যাগ করে। কিছুক্ষণ পর বাজারের এক পাহারাদার ঘটনাস্থলে এসে ওই নারীকে দেখতে পান। পুলিশ জানায়, ভিডিও বিশ্লেষণ করে অভিযুক্ত হিসেবে সদর দক্ষিণ উপজেলার বিজয়পুর বাজারসংলগ্ন দুর্গাপুর এলাকার দুলা মিয়ার ছেলে খোকনকে (৫০) শনাক্ত করা হয়েছে। সে এলাকায় ‘ল্যাংড়া খোকন’ নামে পরিচিত। স্থানীয়দের ভাষ্য, খোকন এলাকায় জুয়া পরিচালনার সঙ্গে জড়িত এবং একজন চিহ্নিত জুয়াড়ি হিসেবে পরিচিত।এদিকে, দিনভর অভিযানের পর শনিবার সন্ধ্যায় এ ঘটনায় অভিযুক্ত মো. খোকন ওরফে ল্যাঙড়া খোকনকে আটক করেছে সদর দক্ষিণ থানা পুলিশ। সদর দক্ষিণ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রকিবুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওর সূত্র ধরেই পুলিশ ঘটনাটি সম্পর্কে অবগত হয়েছে। ভিডিও বিশ্লেষণের মাধ্যমে অভিযুক্তকে শনাক্ত করা হয়েছে এবং তাকে গ্রেফতারের জন্য পুলিশের একাধিক দল মাঠে কাজ করেছে। পরে, সন্ধ্যায় অভিযান চালিয়ে অভিযুক্ত খোকনকে আটক করা হয়৷ এ বিষয়ে সহকারী পুলিশ সুপার (সদর দক্ষিণ সার্কেল) মোস্তাইন বিল্লাহ ফেরদৌস বলেন, ভিডিওটি পুলিশের নজরে আসার পরপরই অভিযুক্তকে আটকের জন্য অভিযান শুরু হয়েছিলো। পরে, অভিযান চালিয়ে ল্যাংড়া খোকন নামের ওই ব্যক্তিকে আটক করা হয়। তবে এখন পর্যন্ত ভুক্তভোগী নারীর পরিচয় নিশ্চিত হওয়া যায়নি। তার পরিচয় শনাক্ত, চিকিৎসা ও প্রয়োজনীয় সহায়তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি অভিযুক্ত ব্যক্তির বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
হাজী আনোয়ারুল হকের উদ্যোগে বালুতুপায় ডেঙ্গু প্রতিরোধে মশক নিধন কর্মসূচির উদ্বোধন
ডেঙ্গু প্রতিরোধে জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং মশার বিস্তার রোধে কুমিল্লার আদর্শ সদর উপজেলার বালুতুপা এলাকায় মশক নিধন কর্মসূচির উদ্বোধন করেছেন কেন্দ্রীয় যুবদলের সহ সভাপতি ও কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা যুবদলের আহ্বায়ক হাজী আনোয়ারুল হক। শুক্রবার (৩ জুলাই) সকালে বালুতুপা বাজার ও আশপাশের এলাকায় এ কর্মসূচির উদ্বোধনের মধ্য দিয়ে ডেঙ্গু প্রতিরোধে ধারাবাহিক কার্যক্রমের সূচনা করা হয়।কর্মসূচিতে হাজী আনোয়ারুল হক নিজেই উপস্থিত থেকে পুরো কার্যক্রম তদারকি করেন। বালুতুপা বাজার এবং আশপাশের বিভিন্ন স্থানে মশার সম্ভাব্য প্রজননস্থলে স্প্রে কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়। এ সময় তিনি নিজেও কাঁধে স্প্রে গান তুলে নিয়ে মশক নিধনে অংশ নেন। স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলে তাদের সচেতন করেন এবং নিজ নিজ বাড়ি ও আশপাশ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখার আহ্বান জানান। তার এমন সরাসরি অংশগ্রহণ উপস্থিত মানুষের মধ্যে উৎসাহ সৃষ্টি করে।স্থানীয়রা এ উদ্যোগের প্রশংসা করে বলেন, শুধু কর্মসূচির উদ্বোধন নয়, নিজে মাঠে নেমে নেতৃত্ব দেওয়ায় সাধারণ মানুষের মধ্যেও ইতিবাচক বার্তা পৌঁছেছে। তারা এ ধরনের জনস্বার্থমূলক কার্যক্রম নিয়মিত চালিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানান।উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বক্তব্যে হাজী আনোয়ারুল হক বলেন, “আজ বালুতুপা এলাকা থেকে আমরা ডেঙ্গু প্রতিরোধে মশক নিধন কর্মসূচির উদ্বোধন করেছি। এটি কোনো একদিনের কর্মসূচি নয়। পর্যায়ক্রমে আদর্শ সদর উপজেলার প্রতিটি ইউনিয়নে এই কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে। ডেঙ্গু বর্তমানে একটি ভয়াবহ জনস্বাস্থ্য সমস্যা। তাই মানুষকে সুরক্ষিত রাখতে এবং মশার বিস্তার কমাতে আমরা মাঠপর্যায়ে কাজ করছি।”তিনি আরও বলেন, “শুধু স্প্রে করলেই ডেঙ্গু প্রতিরোধ সম্ভব নয়। প্রত্যেককে নিজের বাড়ি, আঙিনা ও আশপাশ পরিষ্কার রাখতে হবে। কোথাও যেন পরিষ্কার পানি জমে না থাকে, সেদিকে সবাইকে নজর দিতে হবে। জনসচেতনতা এবং সম্মিলিত উদ্যোগের মাধ্যমেই ডেঙ্গুর বিস্তার রোধ করা সম্ভব। আমরা জনগণের পাশে থেকে এই কার্যক্রম ধারাবাহিকভাবে চালিয়ে যাব।”
লাকসামে এইচএসসি পরীক্ষার্থীকে তুলে নেওয়ার ১৩ ঘণ্টা পর ফেরত দিল দুর্বৃত্তরা
কুমিল্লার লাকসামে রেলওয়ে জংশন এলাকা থেকে অপহৃত এইচএসসি পরীক্ষার্থী মিনহাজুল ইসলাম সিয়ামকে ১৩ ঘণ্টা পর ফেরত দিয়েছে দুর্বৃত্তরা। বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) ভোর ৬টার দিকে তাকে লাকসাম পৌর এলাকায় রাস্তার পাশে ফেলে রেখে যায় তারা। বর্তমানে ওই শিক্ষার্থী পুলিশ হেফাজতে স্থানীয় একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে।পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, লালমাই উপজেলার সমেশপুর গ্রামের খোরশেদ আলমের ছেলে ও লালমাই সরকারি কলেজের এইচএসসি পরীক্ষার্থী মিনহাজুল ইসলাম সিয়াম বুধবার (১ জুলাই) মাগরিবের নামাজ পড়তে লাকসাম রেলওয়ে জংশন এলাকায় যান। সেখান থেকে একদল যুবক তাকে চেতনানাশক প্রয়োগ করে অজ্ঞান করে গাড়িতে তুলে নিয়ে যায়।ঘটনার পর সিয়ামের বাবা খোরশেদ আলম লাকসাম থানায় অভিযোগ জানালে ওসি কামরুন নাহার লাইলীর নেতৃত্বে পুলিশের একটি বিশেষ টিম অভিযানে নামে। তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় পুলিশ ঢাকা ও এর আশপাশের বিভিন্ন স্থানে অভিযান পরিচালনা করে। একপর্যায়ে পুলিশের তৎপরতা টের পেয়ে বৃহস্পতিবার ভোরে দুর্বৃত্তরা সিয়ামকে লাকসাম পৌর এলাকায় ফেলে রেখে পালিয়ে যায়।পরবর্তীতে পুলিশ তাকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে এবং উন্নত চিকিৎসার জন্য স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি করে। সিয়ামের মা আয়েশা আক্তার জানান, তার ছেলেকে অপহরণ করে ঢাকায় নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। পুলিশের দ্রুত পদক্ষেপের কারণে তাকে ফিরে পাওয়া সম্ভব হয়েছে।লাকসাম থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) কামরুন নাহার লাইলী জানান, ভুক্তভোগীকে উদ্ধার করে চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়েছে। এটি অপহরণ নাকি অন্য কোনো ঘটনা, তা নিশ্চিত হতে পুলিশ তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে।
সদর দক্ষিণে ফুটপাতে ঘুমন্ত নারীকে ধর্ষণ, অভিযুক্ত ল্যাংড়া খোকন আটক
কারবালার শোহাদাদের স্মরণে কুমিল্লায় শাহপুর দরবার শরীফের ঐতিহ্যবাহী স্মরণ মিছিল
চামড়া সংরক্ষণে বিনামূল্যে ৩০ হাজার টন লবণ দেবে সরকার
পুরোনো রাউটারকে বানিয়ে ফেলুন ওয়াই-ফাই এক্সটেন্ডার
গোমতী ইয়ুথ সোশ্যাল অর্গানাইজেশনের উপদেষ্টা হলেন সাংবাদিক মওদুদ আবদুল্লাহ শুভ্র
আদালতের নির্দেশ বাস্তবায়ন ও নিরাপত্তা চেয়ে থানায় সাংবাদিক শুভ্রের আবেদন
সাংবাদিক মওদুদ আব্দুল্লাহর উপর হা/ম/লার প্রতিবাদে আইনগত বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ
দ্রুত আসামি গ্রেপ্তার ও পরিবারের নিরাপত্তা চাইলেন সাংবাদিক শুভ্র, থানায় আবেদন